ফেস ডিটেকশন সফটওয়্যার

বর্তমানে অনেক ল্যাপটপ বা নোটবুকে দেখা যায় উইন্ডোজ এ লগইন করতে গতানুগতিক পাসওয়ার্ড এর পরিবর্তে ফেস ডিটেকশন বা ফিঙ্গার প্রিন্ট ডিটেকশন সিস্টেম থাকে। এইসব ল্যাপটপের মূল্যও হয় অনেক বেশি। আমরা যারা ডেস্কটপ পিসি ব্যাবহার করি বা ল্যাপটপে ফেস ডিটেকশন সিস্টেম নাই, তাদের জন্য আজকে আমার জীবনের প্রথম পোস্ট এ নিয়ে এলাম ফেস ডিটেকশন সফটওয়্যার ( ফ্রী ফুল ভার্সন) যা উইন্ডোজ এক্সপি এবং উইন্ডোজ সেভেন এ ব্যাবহার করা যাবে। আপনার ল্যাপটপ/ডেস্কটপ এ একটা ওয়েবক্যাম থাকলেই হল।

software ডাউনলোড করুন এখান থেকে

যেভাবে ইন্সটল করবেনঃ

১. প্রথমেই আপনার পিসি টাকে control panel/user account এ যেয়ে passward protected করে নিন। (যদি করা না থাকে)
২. ডাউনলোড করা ফাইল টি unzip করে নিন।
৩. unzip করার পর folder টা ওপেন করে “LuxandBlinkProSetup” এ ডাবল ক্লিক করুন।
৪. এবার নিচের স্ক্রীন শট গুলা দেখেন-

এইবার পিসি রিস্টার্ট করুন… এবং পাসওয়ার্ড এর পরিবর্তে আপনার চেহারা দেখিয়ে পিসি তে লগইন করুন।

কম্পিউটার কেনার আগে জেনে নিন

কম্পিউটার যে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বশ্রেষ্ঠ যন্ত্র, সেটা না বললেও চলবে। তাই সবারই ইচ্ছা থাকে একটা কম্পিউটার কেনার। কিন্তু একটা ভালো কম্পিউটার কেনার জন্য কম্পিউটার সম্পর্কে কিছু বিষয় জানা প্রয়োজন। আমি আজকে আপনাদের সেইরকম কিছু বিষয়ই জানাবো। কম্পিউটারের ব্যাপারে একেবারেই নতুন, এমন মানুষদের কথা মাথায় রেখেই পোস্টটা সহজ কথায় লেখার চেষ্টা করলাম।

কম্পিউটার কেনার সময় প্রথমেই কয়েকটি জিনিসের প্রতি লক্ষ্য রাখবেন:

১. যেখান থেকে কিনছেন, সেই দোকান ক্রেতাদের কীরূপ গ্রাহক সেবা দেয়। এক্ষেত্রে পরিচিতরা সাহায্য করতে পারে।

২. বাজারে অনেক সময় খোলা হার্ডওয়্যার পাওয়া যায়। কখনোই এগুলো কিনবেন না।

৩. আপনি কম্পিউটার এক্সপার্ট না হলে অন্তত:পক্ষে Processor, Mainboard, RAM, HDD, ODD, Graphics Card, Casing একই দোকান থেকে কিনবেন। তারাই এগুলো সঠিকভাবে configure করে দিবে।

এখন আমি কম্পিউটারের মূল প্রত্যেকটি আলাদা part সম্পর্কে বলবো এবং এগুলো কেনার সময় কী কী বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে, সে সম্পর্কে বলবো।

Processor (প্রসেসর):

কম্পিউটারের প্রধান জিনিস। এটিই কম্পিউটারের সকল কাজ করে থাকে। মূলত একেই CPU (Central Processing Unit) বলে। প্রসেসর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল Intel এবং AMD (Advanced Micro Device)। দুইটাই ভালো, তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং technology’র দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে Intel.

ইন্টেল কোর আই ৭ প্রসেসরইন্টেল কোর আই ৭ প্রসেসর
এএমডি ফেনম টুএএমডি ফেনম টু

প্রসেসর যেহেতু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাই এটি কেনার সময় বিশেষ সতর্কতা নিতে হবে।

১. প্রসেসরের clock speed কত, সেটা লক্ষ্য করতে হবে। ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, প্রসেসরের প্রসেসিং ক্ষমতাও তত বেশি হবে।

২. প্রসেসরের সিরিজ কী, সেটা খেয়াল করতে হবে। সিরিজ যত উন্নত হবে, স্পিড তত বাড়বে। Intel এর প্রথম দিককার প্রসেসর এর মধ্যে রয়েছে, Pentium Series। পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে এসেছে, Celeron series, Core Series, i Series। Pentium Series এর মধ্যে, P1 (Pentium 1) এর চাইতে P2 ভালো, P2 এর চাইতে P3 ভালো আবার, P3 এর চাইতে P4 ভালো। অর্থাৎ, same clock speed এর P1 এর চাইতে P2  এর স্পিড বেশি। আবার, একইভাবে, Pentium Series এর চাইতে Core Series এর স্পিড বেশি। core series এর প্রসেসর গুলোর মধ্যে, Core 2 Quad> Core 2 Duo> Dual Core. আবার core i series এর প্রসেসর গুলোর মধ্যে, Core i7 extreme> Core i7> Core i5> Core i3।

৩. প্রসেসরে কয়টি কোর (core) এবং কয়টি থ্রেড (thread) রয়েছে, তা খেয়াল করতে হবে। কোর এবং থ্রেড এর সংখ্যা বেশি হলে স্পিড বাড়বে। এখন পর্যন্ত সবোর্চ্চ ছয়টি কোরের প্রসেসর আবিস্কৃত হয়েছে।

৪. FSB (Front Serial Bus) এর পরিমাণ লক্ষ্য করতে হবে। FSB বেশি হলে স্পিড বেশি হবে। যদিও নতুন প্রসেসর গুলোতে FSB ব্যবহার করা হয় না। এর পরিবর্তে QPI ব্যবহৃত হয়।

৫. Cache Memory (ক্যাশ মেমরি) কত, তা লক্ষ্য করতে হবে। ক্যাশ মেমরির মধ্যে প্রকারভেদ রয়েছে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ক্যাশ মেমরি হল L3 Cache.

৬. Hyper Threading Technology রয়েছে কিনা, লক্ষ্য রাখবেন। এ প্রযুক্তি Multitasking এর ক্ষেত্রে কার্যকরী ভুমিকা রাখে।

৭. Intel Processor এর ক্ষেত্রে, Turbo Boost Technology রয়েছে কিনা, তা লক্ষ্য রাখবেন। এই প্রযুক্তি প্রয়োজনের সময় প্রসেসরের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৮. GPU (Graphics Processing Unit) রয়েছে কিনা, দেখবেন। প্রসেসরে GPU থাকলে এবং ভালো মাদারবোর্ড ব্যবহার করলে External Graphics Card দরকার হয়না। (যদি না আপনি কম্পিউটারে খুবই উন্নত মানের গেম খেলেন অথবা গ্রাফিক্স ডিজাইনিং বা HD ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি কাজ না করেন।)

[শেষ তিনটি অপশন বিশিষ্ট প্রসেসরের দাম সাধারণত বেশি হয়। সাধারণ কাজের জন্য এই সকল অপশনের প্রয়োজন নেই।]

Mainboard or Motherboard (মেইনবোর্ড বা মাদারবোর্ড):

এই বোর্ডটিতেই কম্পিউটারের সকল যন্ত্রাংশ যুক্ত থাকে। মেইনবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হল: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি। মেইনবোর্ড অবশ্যই প্রসেসর সাপোর্টেড হতে হবে। মেইনবোর্ড এর পোর্ট দুই ধরনের হয়, IDE এবং S-ATA। তবে বর্তমানে S-ATA পোর্টের মেইনবোর্ডই দেখা যায়। প্রায় সব S-ATA পোর্টের মেইনবোর্ডে অন্তত একটি IDE পোর্ট থাকে। প্রয়োজনে IDE to S-ATA converter ব্যবহারের মাধ্যমে S-ATA পোর্টের মেইনবোর্ডে IDE device ব্যবহার করা যায়। মেইনবোর্ড কেনার সময় যে যে বিষয় লক্ষ্য রাখবেন, তা হল:

১. মেইনবোর্ড যেনো প্রসেসর সমর্থিত হয়।

২. RAM এর ধরন। মেইনবোর্ডে RAM এর স্লট যেরকম হবে, সেই ধরনেরই RAM কিনতে হবে। সর্বাধুনিক RAM টাইপ হল DDR3।

৩. USB Port এর version কত। সর্বাধুনিক হল USB 3.0। [USB 3.0 পোর্ট বিশিষ্ট মেইনবোর্ড এর দাম কিছুটা বেশি]

৪. বর্তমানে সব মেইনবোর্ডেই LAN Card (Local Area Network Card) থাকে। তাছাড়া, HD audio এবং HD Video ও লক্ষ্য করা যায়।  Integrated Graphics এর মান বেশি হলে ভালো হয়।

মেইনবোর্ডমেইনবোর্ড

Monitor (মনিটর):

এটাই কম্পিউটারের প্রধান আউটপুট। মনিটরের জন্য ভালো ব্র্যান্ড গুলো হচ্ছে: Samsung, Philips, LG, Asus, HP, Fujitsu ইত্যাদি। মনিটর কেনার সময় নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখবেন:

LCD (Liquid Cristal Display) /LED (Light Emitting Diode) Monitor এর ক্ষেত্রে:

১. আপনার প্রয়োজন অনুসারে স্ক্রিন সাইজ সিলেক্ট করবেন। বর্তমানে অনেক মনিটরেই Built-in TV Tuner থাকে। একই সাথে কম্পিউটারের মনিটর এবং টিভির কাজ করবে এগুলো। TV Tuner না থাকলে প্রয়োজন হলে আপনি পৃথকভাবে TV Tuner কিনতে পারবেন।

২. LCD মনিটর গুলো স্কয়ার এবং ওয়াইড স্ক্রিন এই দুই ধরনের হয়। আপনার কজের প্রয়োজন অনুসারে আপনি তা select করবেন।

৩. LCD এবং LED মনিটর এর পার্থক্য হল: LED মনিটর হল উন্নত প্রকারের LCD মনিটর। তুলনামূলক ভাবে LED মনিটরে ভালো ছবি দেখা যায়। তাছাড়া, LED মনিটরে দেখতেও সাচ্ছন্দ্য বোধ হয়।

৪. কন্ট্রাস্ট রেশিও (Contrast Ratio) লক্ষ্য করবেন। এটি যত বেশি হবে, ছবির মান তত ভালো হবে, অর্থাৎ ছবি শার্প আসবে।

৫. Response Time কম হলে ভালো হয়।

মনিটরমনিটর

RAM- Random Access Memory (র‍্যাম):

RAMও কম্পিউটারের স্পিড বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। RAMএর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হচ্ছে: Transcend, Twinmos ইত্যাদি। RAM কেনার সময় এগুলো খেয়াল রাখবেন:

১. RAM এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে কম্পিউটারের স্পিড বাড়বে। অর্থাৎ, 1 GB RAM এর চেয়ে 2 GB RAM এর স্পিড বেশি হবে।

২. RAM এর বাস ফ্রিকোয়েন্সি বেশি হলে RAM এর ক্ষমতা বাড়বে।

৩. RAM এর ধরন উন্নত হলে তা কম্পিউটারের গতি আরও বৃদ্ধি করবে। যেমন, DDR3 RAM সমপরিমাণের DDR2 RAM এর চেয়ে শক্তিশালী। তবে মেইনবোর্ডে RAM এর স্লট যেমন হবে, সেই ধরনেরই RAM কিনতে হবে।

র‌্যামর‍্যাম

Hard Disk Drive (HDD) (হার্ডডিস্ক):

কম্পিউটারের তথ্য এতে জমা থাকে। এটি কম্পিউটারের Virtual RAM হিসেবেও কাজ করে। এর ভালো ব্র্যান্ড হচ্ছে, Samsung, Transcend ইত্যাদি। এটি কেনার সময় নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য করবেন:

১. সাধারণভাবেই, হার্ডডিস্ক এর স্টোরেজ ক্ষমতা বেশি হলে বেশি তথ্য জমা রাখতে পারবেন। বাজারে ১৬০ GB থেকে শুরু করে ৩ TB হার্ডডিস্ক পাওয়া যায়।

২. হার্ডডিস্ক এর RPM (Revolutions Per Minute) বেশি হলে এর ডাটা ট্রান্সফার রেট বেশি হবে।

৩. মেইনবোর্ডের পোর্ট S-ATA হলে হার্ডডিস্কও S-ATA ই কিনতে হবে।

৪. এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক এর ক্ষেত্রে, আপনার মেইনবোর্ড এ USB 3.0 থাকলে USB 3.0 হার্ডডিস্ক কেনাই ভালো। কেননা, কয়েক বছরের মধ্যেই USB 2.0 উধাও হয়ে USB 3.0 এর জায়গা নিবে। লক্ষণীয়: এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক স্হায়ী HDD এর ন্যায় ব্যবহার করা যায় না, তবে ইন্টার্নাল HDD, এক্সটার্নাল HDD এর ন্যায় ব্যবহার করা যায়।

হার্ডডিস্কহার্ডডিস্ক

Casing (কেসিং):

কেসিং হল Mainboard, HDD, ODD সাজিয়ে রাখার জন্য বক্স। কেসিং এর জন্য ব্র্যান্ড অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে Mercury এবং Gigabyte  এর কেসিং গুলো ভালো হয়। কেসিং কেনার সময় নিচের বিষয়টি লক্ষ্য করবেন:

১. কেসিং এর দাম vary করে PSU (Power Supply Unit) এর জন্য। PSU যদি বেশি watt এর হয়, তবে PSU এর দাম বেড়ে যায়। ফলে কেসিং এর দাম বেড়ে যায়। আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী PSU select করবেন। যেমন, ভালো এবং বেশি পাওয়ারের এক্সটার্নাল গ্রাফিক্স কার্ড, বড় স্ক্রিনের মনিটর ব্যবহার করলে বেশি পাওয়ার এর পাওয়ার সাপ্লাই লাগবে।

কেসিংকেসিং

Optical Disk Drive (ODD) (অপটিক্যাল ডিস্ক ড্রাইভ):

ODD হল সিডি/ডিভিডি প্লেয়ার/রাইটার। ODD এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল: Samsung, Asus, Lite-On ইত্যাদি। লক্ষ্য করুন:

১. বর্তমানে সিডি প্লেয়ার এবং ডিভিডি প্লেয়ার এর মূল্যে পার্থক্য খুবই কম। CD player, DVD play করতে পারেনা, কিন্তু DVD player, CD play করতে পারে।

২. আপনি চাইলে কয়েকশ টাকা বেশি দিয়ে Combo Drive অথবা DVD writer কিনতে পারেন। Combo drive হল সেইসব ODD যেগুলো CD Play, DVD play এবং  CD write করতে পারে। আর DVD writer দিয়ে আপনি CD play, DVD play, CD write, DVD write সবই করতে পারবেন।

৩. মেইনবোর্ড এর পোর্ট অনুসারে ODD কিনতে হবে। (অন্যথায় converter ব্যবহার করতে হবে)

৪. ODD এর speed বেশি হলে সিডি/ডিভিডি থেকে দ্রুত ডাটা রিড হবে এবং দ্রুত ডাটা রাইট হবে।

ODDODD

Graphics Card (গ্রাফিক্স কার্ড) বা AGP Card(Accelerated Graphics Port Card):

ভালো গেম খেলার  জন্য বা গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর কাজের জন্য ভালো গ্রাফিক্স কার্ড অত্যন্ত প্রয়োজন। গ্রাফিক্স কার্ডের মধ্যে ভালো ব্র্যান্ড হল:  Asus, Gigabyte, Sapphire  ইত্যাদি। এটি কেনার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করবেন।

১. V-RAM বেশি হলে ভালো গ্রাফিক্স পাবেন।

২. সাধারণ র‍্যাম এর মতই V-RAM এর টাইপ উন্নত হলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

৩. এছাড়াও, Clock rate, Memory Bus ইত্যাদি বিভিন্ন জিনিসের জন্যও গ্রাফিক্স কার্ডের ক্ষমতার পরিবর্তন হয়।

৪. আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট গেম এর প্রতি আকৃষ্ট হন অথবা নির্দিষ্ট কোন সফটওয়্যার দিয়ে কাজ করেন, তবে সেই সফটওয়্যারের requirement অনুসারে নির্দিষ্ট চিপসেটের গ্রফিক্স কার্ড কিনবেন।

Sapphire RADEON X1650 PRO AGP Graphic Cardগ্রাফিক্স কার্ড

Key Board (কী-বোর্ড):

কী-বোর্ড কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুইটা ইনপুট ডিভাইস এর মধ্যে এটি একটি। কী-বোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল: A4Tech, Deluxe, Mercury ইত্যাদি। এটি কেনার সময় লক্ষ্য করবেন বাংলা অক্ষর রয়েছে কিনা। (Unijoy বা Bijoy লে আউট-এ লেখার জন্য অপরিহার্য)।

কী-বোর্ডকী-বোর্ড

Mouse বা মাউস:

অপর গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট ডিভাইস হল এটা। এর ভালো ব্র্যান্ড হল: A4Tech, Mercury ইত্যাদি।

১. কত DPI (Dots Per Inch) লক্ষ্য করবেন। DPI বেশি হলে সূক্ষ্ণ ভাবে মাউস দিয়ে কাজ করতে পারবেন।

২. ধরতে সুবিধা হয়, এমন মাউস কিনবেন।

মাউসমাউস

UPS (Uninterpretable Power Supply) ইউপিএস:

বাংলাদেশে ডেস্কটপ কম্পিউটারের জন্য UPS যে অপরিহার্য তা বলার বাইরে। UPS কেনার সময় এগুলো লক্ষ্য করবেন:

১. দুই ধরনের UPS পাওয়া যায়। Online UPS এবং Offline UPS। এদের মধ্যে পার্থক্য হল, বিদ্যুৎ চলে গেলে Online UPS on হতে কোন সময় নেয় না, কিন্তু Offline UPS সামান্য সময় নেয়। সম্ভবনা কম হলেও এই সামান্য সময়ের মধ্যে কম্পিউটারের পাওয়ার চলে গিয়ে রি-স্টার্ট হতে পারে।

২. আপনার চাহিদা অনুযায়ী UPS এর পাওয়ার select করবেন। মনিটরের স্ক্রিন বড় হলে, বেশি পাওয়ারের গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার করলে, উন্নত প্রসেসর হলে বেশি পাওয়ারের UPS প্রয়োজন। দোকানে আপনার কম্পিউটারের কনফিগারেশন বললে তারা সঠিক UPS দিতে পারবে।

৩. সাধারণত একটি UPS এর Back-up time ২০-২৫ মিনিট। এর চেয়ে বেশি Back-up time এর UPS কিনতে হলে মূল্য বেশি হবে।

Uninterruptible Power SupplyUninterruptible Power Supply

TV- Tuner/ TV card:

কম্পিউটারের মনিটরকে একই সাথে টিভি দেখার কাজে ব্যবহার করতে প্রয়োজন। LCD/LED টিভির মূল্য বেশি বলে অনেকেই LCD monitor এবং TV card কিনে টিভি দেখার পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছেন। তবে টিভি দেখাই যদি হয় আপনার উদ্দেশ্য, তবে LCD/ LED TV monitor ই কিনুন। এতে ফলাফল ভালো পাবেন। TV card এর সুবিধা হল, এর মাধ্যমে আপনি শুধু টিভিই দেখতে পাবেন না, অনুষ্ঠানও রেকর্ড করে আপনার হার্ডডিস্ক এ জমা করে রাখতে পারবেন। TV tuner অবশ্যই মনিটরের রেজ্যুলেশন এর সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণ হতে হবে। শপ এ আপনার মনিটরের রেজ্যুলেশন বা মডেল বললেই তারা সঠিক টিভি কার্ড বেছে দিতে পারবেন। TV card এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল: Avermedia, Real view, Gadmei ইত্যাদি।

Uninterruptible Power SupplyTV Card

Speaker বা স্পিকার:

কম্পিউটারের আরেকটি আউটপুট ডিভাইস। গানের প্রতি আপনার আসক্তি অনুযায়ী এটি কিনবেন। ২:১ এর স্পিকার হল মোট তিনটি স্পিকারের সমষ্টি, যার মধ্যে একটি বড় এবং অন্য দুইটি ছোট। বড়টি হল উফার (woofer) এবং ছোটটি হল সাব উফার (sub-woofer)। উফারটি ব্যাস সাউন্ড এবং সাব উফারটি ট্রেবল প্রদান করে। গানে আপনার ভালো আসক্তি থাকলে এক্সটার্নাল সাউন্ড কার্ড কিনতে পারেন। তবে বর্তমান প্রায় সব মেইনবোর্ড এই ৫:১ সাউন্ড কার্ড বিল্ট-ইন থাকে। ফলে আপনি ৫:১ স্পিকার ব্যবহার করতে পারবেন। তবে আরও উন্নত সাউন্ডের জন্য ৭:২ স্পিকারও ব্যবহার করতে পারেন (এর জন্য ৭:২ সাউন্ড কার্ড লাগবে) .ব্র্যান্ড হল Creative, Microlab, Logitech ইত্যাদি।

speaker

আজকে এখানেই শেষ করছি। প্রথম পোস্টটা এত বড় হবে ভাবিনি।

আইকন টয় দিয়ে ডেস্কটপকে দিন নতুন প্রাণ

আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সবাই ভালো আছেন। লেখার মূল বিষয় শুরুর পূর্বে নিচের ছবিটি লক্ষ্য করুন। আমি এখানে কোন ওয়ালপেপার এর কথা বলছি না, বরং ডেক্সটপ আইকন গুলোর কথায় বলছি । সাধারনত ডেক্সটপ এর আইকন গুলো লম্বালম্বিভাবে সাজানো থাকে।

slide5

এর এগুলো সবসময় মূর্তির মতো দাড়ায় থাকে। কেমন হয়, এই আইকন গুলোকে সাজানো যায় নিজের মনের মতো করে এবং যদি এগুলো মূর্তির মতো দাড়ায় না থেকে অটোমেটিক নড়াচড়া করে । যেমন, এগুলো দিয়ে যদি বানাতে পারি, হার্ট, ক্লক, স্টার ইত্যাদি ইত্যাদি।

সুতরাং, আমি ছোট একটা সফটওয়্যারকে আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে যাচ্ছি, যেটা আপনারডেস্কটপকে জীবন্ত করার কাজটি  করে দিবে। মাত্র ৭২৩কে.বি Desktop Icon Toy  সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করতে পারেন নিচের লিঙ্ক থেকে। আর দেখুন এই ছোট সফটওয়্যার এর যাদু। সুতরাং,  ডেক্সটপ দিয়েই প্রকাশ করুন মনের ভাব।

DJ Music তৈরী করুন নিজে নিজে…

গান শুনতে পছন্দ করে না এমন ব্যক্তি মনে হয় খুজে পাওয়া যাবে না। ছোট-বড় সবাই গান শুনতে পছন্দ করে। তবে অনেকে ক্লাসিক্যাল অনেকে রোমান্টিক আবার অনেকে ডিজে গান পছন্দ করেন। সাধারণত যে সকল গান ডিজে মেশিন দিয়ে মিক্সিং করে বাজানো হয় সেগুলোকে ডিজে গান বা মিউজিক বলে।

ডিজে গান গুলো আপনারা বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। তবে ডাউনলোড না করে যদি নিজেই ডিজে গান তৈরী করা যায় তাহলে কেমন হয়? আর এ জন্যই আজকের আমার এই পোষ্টি। এই সফটওয়্যারটা আমি অনেকদিন ধরেই ব্যবহার করে আসছিলাম। সফটওয়্যারটা ব্যবহার করা খুবই সহজ। সফটওয়্যারটার নাম হলো VirtualDJ । এই গত মার্চের ৯ তারিখে এর নতুন ভারসন ৭.০ বাজারে এসেছে। এই সফটওয়্যারটা দিয়ে আপনারা সাউন্ড মানে গান রিমিক্স, মিক্সিন, ডিজে, ইফেক্ট দিতে/তৈরী করতে পারবেন।

সফটওয়্যারটির কিছু স্ক্রীনশট দেওয়া হলোঃ

ডাউনলোডঃ

ফেসবুক টু-ফ্যাক্টর ভেরিফিকেশন সুবিধা

গুগলের পর এবার ফেসবুক টু-ফ্যাক্টর ভেরিফিকেশন বা অথেনটিকেশন চালু করলো। বাংলাদেশে গুগলের টু-ফ্যাক্টর ভেরিফিকেশন সমর্থন না করলেও ফেসবুকেরটা সমর্থন করে। ফলে ফেসবুকে লগইনের সময় পাসওয়ার্ড ছাড়াও মোবাইলে প্রাপ্ত কোড দ্বারা লগইন সম্পন্ন করা যাবে। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া থেকে রক্ষা পেতে এটি সহায়ক।

টু-ফ্যাক্টর চালূ করার জন্য ফেসবুকে লগইন করে Account > Account Settings > Settings > AccountSecurity থেকে Login Approvals এর Require me to enter a security code sent to my phone চেক করতে হবে। এবার Next বাটনে ক্লিক করে মোবাইলে প্রাপ্ত কোড লিখে Next করতে হবে এবং Save বাটনে ক্লিক করে করতে হবে। কোন মোবাইল যদি  যুক্ত করা না থাকে তাহলে যুক্ত করতে হবে।

এরপর থেকে ফেসবুকে নতুন কোন ডিভাইস (কম্পিউটার) লগইন করতে গেলে মেবাইলে একটি এসএমএস (কোড) আসবে। উক্ত কোড দিয়ে লগইন সম্পন্ন করতে হবে। অন্যথায় ফেসবুকে লগইন করা যাবে না।

জানা, অজানা

বিচিত্র দুনিয়াতে রয়েছে বিচিত্র সব তথ্য আর জানা-অজানা নানান কথা। কিছু আমাদের জানা আর বাকি কিছু অন্যদের জানা। আমাদের চারপাশে থাকা বিষয়বস্তু যা নিয়মিত আমাদের দৃষ্টিগোচর হচ্ছে, সেগুলো সম্পর্কে জানা-অজানা সেই সব তথ্যের ভিন্ন রকম উপস্থাপনার ছোট্ট এই প্রচেষ্ঠা।

জানা !! আবার অজানাও হতে পারে ০৮

১| ড্রাগনফ্লাই বা গঙ্গা ফড়িং...

একটি ড্রাগনফ্লাই বা গঙ্গা ফড়িং অনায়াসসে ঘন্টায় ৩০ মাইল পথ উড়ে যেতে পারে


২| কথা বলা... 

মহিলারা প্রতিদিন গড়ে ৭০০০ বাক্য বলেন, আন্যদিকে পুরুষরা বলে মাত্র ২০০০ বাক্য।

৩|  কীটপতঙ্গ...

পৃথিবীর প্রাণীদের মধ্যে ৮০ ভাগই হচ্ছে পোকামাকড়!

৪| কাঙ্গারু...

সভ্য পৃথিবির মানুষ যখন প্রথম অস্টেলিয়ায় গেল তখন দুইপায়ে লাফিয়ে চলা অদ্ভুত নতুন জীবটিকে দেখে আদিবাসীদের প্রশ্ন করেছিল এর নাম কি। তখন বলেছিলো "কেংগারু" যার অর্থ “তুমি কি বলছ আমি বুঝতে পরছিনা”|

৪| জ্যাক স্প্যারোর


পাইরেটস অফ দ্য ক্যারিবিয়ান-এর নায়ক জ্যাক স্প্যারোর জন্ম হয়েছিলো ভারত মহাসাগরের ঘূর্ণিঝড় আক্রান্ত এক জলদস্যুর জাহাজে!!

ল্যাপটপ মেইন্ট্যানেন্স#4

আজ আপনাদের সাথে আলোচনা করব ল্যাপটপ এর ডাটা ব্যাক আপ করার জন্য আপনি কি ধরনের স্ট্রেটেজি গ্রহন করবেন তা সম্পর্কে।

এটাত বলার অপেক্ষা রাখে না যে, হোক সেটা ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ, ডাটা ব্যাকআপ দুটোর জন্যই সমান গুরুত্বপূর্ন। আর সেটা যদি হয় পোর্টেবল, তাহলেত কথাই নেই।আচ্ছা ধরাযাক, আপনি সব সময় খুবি সতর্ক থাকেন, এজন্য আপনার ল্যাপটপ কখনই চুরি হবে না।কিছু এটা কি ভেবেছেন, ল্যাপটপ চুরি না হলেও আপনার ডাটা কিন্তু অনেক ভাবেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

যেমন ধরুন; আপনার ল্যাপটপটি ভাইরাস আক্রান্ত হলো, অথবা যে কোন ধরনের দুর্ঘটনায় ল্যাপটপটি এমন ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হলো যে, এর হার্ডড্রাইভ থেকে কোন ধরনের তথ্য উদ্ধার করা সম্ভব হলো না। তখন কি করবেন?

বিভিন্ন ভাবে আপনি আপনার ডাটা ব্যাকআপ করতে পারেন। যেমন;

সফটওয়্যার প্রোগ্রাম এর মাধ্যমেঃ বেশ কিছু ধরনের সফটওয়্যার আছে, যেগুলোকে আপনি কনফিগার করে দিলে, নিজে থেকেই আপনার কম্পিউটার এর সকল ডাটা একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর ব্যাকআপ করতে থাকবে। আপনি যদি নিজ থেকে ব্যাকআপ করতে ভুলেও যান, তাহলেও সফটওয়্যারটি নিজেই এ কাজটি করে নিবে।

উদাহারন হিসেবে বলা যায়ঃ NovaBACKUP,  DT Utilities PC Backup,  Genie Backup Manager,  Acronis True Image,  Easeus Todo Backup,  NTI Backup Now,  Acronis Backup & Recovery,  Norton Ghost,  PowerBackup,  TurboBackup ইত্যাদি।

ফাইল হোস্টিং সার্ভারের মাধ্যমেঃ এখন ইন্টারনেটে এমন অনেক সাইট আছে যারা ইউজারদের কাছ থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থের বিনিময়ে আপনার কম্পিউটার এর ডাটা সরাসরি তাদের সার্ভারে জমা করে নিবে।

এক্সটার্নাল সোর্স এর মাধ্যমেঃ আপনি আপনার ল্যাপটপ এর ডাটা পোর্টেবল অথবা এক্সটার্নাল হার্ডড্রাইভ এ জমা করে রাখতে পারেন। ডাটা ব্যাকআপ করে রাখার এটাই সবচাইতে সহজ উপায়।

নিজে কে ইমেইল করে রাখতে পারেনঃ এটা বড় বড় ফাইলের জন্য কাজ না করলেও, আমাদের অনেক ছোট ছোট ফাইল আছে, যা অনেক সময় অনেক কাজে আসে। আমরা এগুলোকে আমাদের ইমেইল এ রেখে দিতে পারি। যদি কোথাও প্রয়োজন হয়, কাছা কাছি যেখা নেইন্টারনেট আছে, সেখানে গিয়ে ফাইলটি ডাউনলোড করে নিলেই হয়ে যায়…

(যেমন আমি আমার নিজের সমস্ত সার্টিফিকেট, রিসেন্ট সিভি আমার ইমেইল এ রেখেদিয়েছি… কে জানে কখন কে চায়  ;) )

(ছোট্ট একটি টিপস দিয়ে দেই, লক্ষ্য করলে দেখবেন, ইমেইল এ .exe এক্সটেনশনের কোন ফাইল আপলোড করা যায় না। আরে … দরকারনেই তো … আপনি ফাইলের নাম থেকে .exe কে পরিবর্তন করে .txt করে দিন… আর যাকে পাঠাবেন, তাকে বলে দিন, সে যেন ফাইলটি ডাউনলোড করে .txt এক্সটেনশ কে পরিবর্তন করে .exe করে নেয় … ব্যাস, ঝামেলা শেষ।)

ডাটা ব্যাকআপ করার আগে কিছু বিষয় ভেবে নিনঃ

  • কোন ধরনের ডাটা ব্যাকআপ সিস্টেম আপনি আপনার জন্য পছন্দ করবেন ?
  • কি ধরনের ডাটা আপনি ব্যাকআপ করতে চাচ্ছেন ?
  • কি পরিমাণ ডাটা আপনি ব্যাকআপ করবেন ?
  • কত দিন পর পর আপনি ব্যাকআপ করবেন ?

একটু খেয়াল রাখুনঃ

ডাটা ব্যাকআপ এর পূর্বে যে ডাটা গুলো কে ভালো মতন স্ক্যান করে নিন। দেখুন এই ফাইল গুলোতে আমন কোন ফাইল আছে কি না, যা ভাইরাস ইনফেক্টেড। কেননা ভাইরাস ইনফেক্টেড ফাইল আপনার কোন কাজেই আসবে না। মাঝ থেকে আপনার কষ্ট এবং অন্যান্য ডাটা নষ্ট হবার সমূহ সম্ভাবনা তৈরি করবে।

Previous Older Entries

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.